আমাদের কথা
অখন্ড বাংলার দক্ষিণ জনপদে শিক্ষার আলো জ্বালানোর জন্য টেকনাফ এবং এর নিকটবর্তী এলাকার জমিদারবর্গের উদার মনোবৃত্তির ফলশ্রুতি আজকের ‘শামালাপুর স্কুল’। ১৯৮৭ সালে এ বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন।
অনেক সমস্যার মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়টি উন্নতির পথে অগ্রসর হয়। ১৯৮৭ সরকারের শিক্ষা বিভাগের আওতায় বিদ্যালয়টি ‘শামলাপুর স্কুল’ হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে। প্রতিষ্টার পর থেকে প্রধান শিক্ষক আবুল মন্জুরের নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি পরিচালিত হচ্ছে।
শামলাপুর হাই স্কুল মোট দুইটি শাখায় পরিচালিত হচ্ছে। শাখায় সুদক্ষ ও বিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী কর্তৃক শ্রেণি পাঠ্যক্রমিক শিক্ষায় বিদ্যালয়ের সুনাম দেশজুড়ে। সর্বমোট ২১ জন সহকারি শিক্ষক, ১ জন সহকারি প্রধান শিক্ষক এবং একজন প্রধান শিক্ষক দ্বারা বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়।
২০০৭ সালে এস.এস.সি. পরীক্ষায় ৮০ জন, ২০০৮ সালে ৯০ জন, ২০০৯ সালে ৯০ জন, ২০১০ সালে ৮৬ জন, ২০১১ সালে ১০০ জন, ২০১২ সালে ১১০ জন, ২০১৩ সালে ১০০ জন, ২০১৪ সালে ১৩০ জন, ২০১৫ সালে ২০০ জন, ২০১৬ সালে ১৩০ জন, ২০১৭ সালে ১৮০ জন, ২০১৮ সালে ১৯০ জন, ২০১৯ সালে ১৯৬ জন, ২০২০ সালে ১২০ কন, ২০২১ সালে ১৯৬ জন, ২০২২ সালে ২০০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা অংশগ্রহণ করে সুনামের সাথে কৃত্ত অর্জন করে। বরাবরই শামলাপুর স্কুল বোর্ডের মধ্যে সেরা স্থান লাভ করে আসছে।
অভিভাবক-শিক্ষক সমাবেশ, নিয়মিত ছাত্র সমাবেশসহ সুশৃঙ্খল শিক্ষাদানের পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শামলাপুর স্কুল আশাব্যঞ্জক ভূমিকা রেখে আসছে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
অখন্ড বাংলার দক্ষিণ জনপদে শিক্ষার আলো জ্বালানোর জন্য টেকনাফ এবং এর নিকটবর্তী এলাকার জমিদারবর্গের উদার মনোবৃত্তির ফলশ্রুতি আজকের ‘শামালাপুর স্কুল’। ১৯৮৭ সালে এ বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
আমাদের উদ্দেশ্য হলো সুদক্ষ সুনাগরিক গড়ে তুলা।